১)
পানি একটি সীমিত সম্পদ, আর যেহেতু বাংলাদেশের জীবনধারা
গড়ে উঠেছে পানিকে কেন্দ্র করে তাই পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের মত
উন্নয়নশীল দেশের জন্য গুরুত্ত্বপূর্ন একটি বিষয়। মূলত মানুষের জীবনধারন, আর্থ
সামাজিক উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ব্যাপক, সমন্বিত ও সুষম ভিত্তিতে
দেশের পানিসম্পদ ব্যাবস্থাপনার লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে জাতীয় পানি নীতি ঘোষিত হয়। জাতীয়
পানি নীতি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো প্রনয়নের লক্ষ্যেই গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশের সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি প্রস্তাবিত বাংলাদেশ পানি আইন
২০১২ প্রকাশ করেছে। নয়টি
অধ্যায়ে মোট ও ৩৯ টি ধারার মাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রস্তাবিত আইনটি মূলত জাতীয় পানি
নীতির আলোকেই প্রণিত হয়েছে যা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। প্রস্তাবিত আইনটির প্রথম
অধ্যায়টিতে আইনে উল্লেখিত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এবং বাকী আটটি
অধ্যায়ে আইনের মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করা হয়েছে। এই নিবন্ধে এই প্রস্তাবিত পানি আইন
২০১২ এর একটি সার্বিক পর্যালোচনা থাকবে। প্রথমে প্রস্তাবিত পানি আইনের ইতিবাচক
পদক্ষেপ নিয়ে পর্যালোচনা থাকবে, এর পরবর্তীতে এই আইনের কিছু অসংগতি বিশ্লেষণ করা
হবে, এবং পরিশেষে এই আইনে একটি গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনা
থাকবে।
